শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
দেশে নানা ছুতোয় গত কয়েক মাস ধরেই অস্থিতিশীল নিত্যপণ্যের বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে চাল, সবজি, মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম। বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার জন্য বরাবরের মতোই খুচরা ব্যবসায়ীরা দুষছেন পাইকারদের। আর পাইকাররা দিচ্ছেন দায়সারা ব্যাখ্যা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, বাড্ডা, রামপুরার কাঁচাবাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে সব ধরনের সবজির দাম ৫-১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এ ছাড়া ৩৫ টাকার পটোল ৪০-৪৫, বেগুন (গোল) ৫০-৫৫, টমেটো ১১৫, গাজর ১২০, করলা ৬০-৬৫, শসা ৫০-৬০ ও শিম ১৫০, ৩৫ টাকার কাঁচা মরিচ ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ছাড়াও ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ ও ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের দাম একবারে না বাড়িয়ে দফায় দফায় বাড়ানো অসাধু ব্যবসায়ীদের অপকৌশল। তারা ভেবেছে এভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে মানুষ কিছুই বুঝতে পারবে না। কিন্তু বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়ার আদতে কোনো যুক্তি নেই। এটা শুধুই ব্যবসায়ীদের কারসাজি।
বাড্ডা বাজারে বেসরকারি চাকুরে জীবন আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মাসিক বেতনের সঙ্গে বাজারের হিসাব মিলে না। তাই তো এখন মানসিকভাবে মেনেই নিয়েছি বাজারে গেলে বেশি টাকায় অল্প সদাই নিয়ে ফিরতে হবে। খেতে বসলে কম কম খেতে হবে।’ একই বাজারে আসা মাহমুদ নামে আরেক ক্রেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দেশের ব্যবসায়ীরা ফেরেশতা। শুধু পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য বৃষ্টি বা অন্য কোনো একটা সুযোগ পেলেই মানুষের গলা কাটে। সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটি আছে তাদের মতো ঘুমিয়ে!’